পর্দাশীল মেয়ের ভালোবাসা
part = 7+8
"রুহি দৌড়ে নিচে চলে গেলো। 10 মিনিট পর এসে আমার সামনে দারালো।
রুহি: শাস্তি কিন্তুু মানতেই হবে বলে দিলাম।😁
আমি: ok মানবো। কিন্তুু তোমার হাত পিছনে কেন,কি লুকিয়ে রাখছো আমার থেকে।
রুহি ওর পিছনে লুকিয়ে রাখা জিনিস টা বের করলা আর আমি সেই জিনিস টা দেখার পর আমার চোখ কপালের ও ওপরে ওঠে গেছে। 😱😱😱
রুহির হাতে একটা করলা আর মরিচের গুরো।
আমি: এইগুলো দিয়ে কি হবে? 🤔 ( অবাক হয়ে)
রুহি : তুমি যেই ভুল করছো তার শাস্তি এটা।😁
আমি: মানে?😨
রুহি: এতো মানে মানে করতে হবে না। শাস্তি তো শাস্তি।😏
আমি: এর জন্য এটা কেমন শাস্তি হলো এমন শাস্তি আমি কাওকে দিতে দেখি নাই।
রুহি: না দেখলে এখন দেখে নেও। চুপচাপ কথা কম বলে করলা দিয়ে মরিচ দিয়ে খাও।😁
আমি: আমি পারবো না।
রুহি: আবার বলো তো। 😡
আমি: রুহি দেখো তোমার পিছনে তেলাপোকা।😁 (জোরে চিক্কার করে বললাম। রুহি তেলাপোকার কথা শুয় প্রচুর ভয় পায়)
রুহি তেলাপোকার কথা শুনে সব নিচে ফেলে দিয়ে, ভয়ে আমাকে জরিয়ে ধরছে। কিছুক্ষণ পর রুহি আমাকে ছেরে রাগি লুক নিয়ে আমার দিকে তাকালো।
রুহি:এইইই কই তেলাপোকা?😕
আমি: আমি তো এমনেই বলছিলাম।🤣
রুহি: আজ তোর খবর আছে।😡😡😡
আমাকে আর পায় কে? এক দৌড় দিয়ে চলে গেলাম নিচে।
রুহির আব্বু : আরে বাবা তুমি চলে এসেছো? আমি এখন তোমাকে ডাকার জন্য যাচ্ছিলাম।
আমি: থাক আর কষ্ট করতে হবে না। আমি নিজের চলে এসেছি।☺
আমার কথা শুনে সবাই একটু হাসি দিলো। কিছুক্ষণ পর রুহি ও ছাদ থেকে আসলো। আর রুহি আমার দিকে তাকালো।
আমিও রুহির দিকে তাকালাম আর ভয় পেয়ে গেলাম, রুহি চোখের ইশারা তে বুঝালো যদি একবার সামনে পায় তাহলে আমার 13 টা বাজিয়ে দিবে।
আমাকে সাবধানে থাকতে হবে না হলে খবর আছে।😨 (খবরটা রুহি টেলিভিশন এ দেখানো হবে)
রুহির আব্বু: তাহলে বিয়ের তারিখ টা ঠিক করে ফেলি?
আমার বাপ: হ্যাঁ অবশ্যই।
এমন সময় আমার বন্ধুর ফোন আসলো আমি সবার থেকে একটু সময় নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। কিছুক্ষণ কথা বলার পর ফোন কেটে দিয়ে পিছনে ঘুরতেই~
আআআআআআআআ রু.. রুহি তুমি। 😳
রুহি কিছু না বলে আমার থেকে আমার মুবাইলটা নিয়ে খুব জোরে নিচে আছাড় দিলো। আমি কিছুই বুজলাম না! আমার চোখের সামনে আমার প্রিয় মুবাইলটা শহীদ হয়ে গেলো।
রুহি: আজকের দিন ও মুবাইলে বন্ধুদের সাথে কথা বলতে হবে তাই না।বল আরো বল, যত মন চায় তত কথা বল। 😠
আমি: আর কিভাবে বলবো মুবাইলটা তো শহীদ হয়ে গেছে।😭
রুহি: এখন তো মাএ মুবাইল শহীদ হয়েছে, বিয়েটা সুন্দর ভাবে হয়ে যাক তারপর তোরে শহীদ করমু। এখন কিছু বলছি না, তোরে আমি বিয়ের পর মজা বুজাবো।
(আল্লাহগো কি মিথ্যা কথা বলে রে! মাএ আমার প্রিয় মুবাইলটা ভেঙ্গে চুরমার করে দিলো আবার বলে কিছু বলে বা করে না) মনে মনে😡
রুহি: এই বোবার মতো দারিয়ে আছিস কেন। চুপচাপ গিয়ে ওখানে বসে থাক। এবার যদি এক মিনিটের জন্য ও তোর জায়গা থেকে ওঠোছ তাহলে তোর এক দিন আর আমার এক ঘন্টা।😠
অসহায় এর মতো নিজের ভাঙ্গা মুবাইল টার অঙ্গপ্রতঙ্গ জোগার করছি। আর মনে মনে বললাম কুত্তাটার একটু ও দয়ামায়া হলো না আমার মুবাইলের প্রতি।
রুহি: এই তোরে কি বলছি তোর কানে কথা যায় না। ওখানে গিয়ে বস এখন।😡
আমি: আমার প্রিয় মুবাইলটা শহীদ হয়েছে, একটু সম্মান করার সময় ও দিবা না।😐
রুহি: তোর শহীদ মুবাইলটা আমি পেকেট করে তোর বাসায় পাঠিয়ে দিমুনে। তারপর যতো মন চায় তার সম্মান করিছ।😅
আমি: শয়তান একটা।😡
রুহি: কি বললি?
আমারে আর কে পায় এক দৌড় দিয়ে পালিয়ে গেলাম। আবার ও ভদ্র পোলার মতো গিয়ে নিজের জায়গায় বসলাম।
তাদের কথা শুনে বুজতে পারলাম সব ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তুু আমি তো কিছুই জানলাম না থাক বাসায় গিয়ে সব জেনে নিবো।
রুহির বাসা থেকে বেরিয়ে আসার পর আমাদের বাসায় চলে আসলাম।
তারপর আমার রোমে গিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম। ঘুম ভাঙচুর করে দিলো আম্মু।
আমি: কিইইই হয়েছে?
আম্মু: ওঠ আর রুহি ফোন দিয়েছে কথা বল।
আম্মু মুবাইলটা দিয়ে চলে গেলো।
আমি: Hallo কে? ( জানি রুহি ফোন করেছে তারপর ও মজা করার জন্য বললাম)
রুহি: তোর জম, চিনছোছ?
আমি: হ্যাঁ ভালোমতো চিনছি।
রুহি: আচ্ছা তারাতারি পার্কে আয়।
আমি: আমার ভালো লাগছে না। আমার প্রচুর ঘুম পাচ্ছে।
রুমি: তোর সাহস তো কম বড়ো না? আমাকে মানা করছিছ।
আমি: মানা করি নাই। আমার ভালো লাগছে না।
রুহি: শেষ বারের মতো বলছি তুই আসবি নাকি আসবি না।
আমি: না আসমু না।
রুহি: তুই একটু বারান্দায় আয়।
আমি: কেন?
রুহি: যা বলছি তাই কর।
আমি: হুমম আসছি।
রুমি: এবার একটু নিচে তাকা।
আমি: তাকালাম ! 😱😱😱 ( নিচে তাকিয়ে দেখি রুহি দারিয়ে আছে)
রুহি: এখন বল তুই আসবি নাকি আমি তোর কাছে আসমু।😁
আমি: আরে তোমার কষ্ট করার কি দরকার ! আমি আসতাছি?☺
আমি তারাতারি রেডি হয়ে নিচে গেলাম। কিন্তুু রুহির কাছে গেলাম না। আমাদের মাঝে বেশ দুরত্ব বজায় রাখলাম কারন রুহি আমাকে সামনে পাইলে কি করবো তা আল্লাহ আর রুহি ভালো জানে।
অনেক হাটার পর আমি বললাম "রুহি আমরা কোথায় যাচ্ছি?
রুহি: মুখ বন্ধ করে চুপচাপ হাটতে থাক। একটা কথা বললে তোর মুখ ভেঙ্গে দিবো।
আমি : 😶
অনেকখন পর রুহি আমাকে নিয়ে একটা মুবাইলের দোকানে গেলো। আমি তো বোবার মতো দারিয়ে আছি আর রুহি মুবাইল পছন্দ করছে।
রুহি: এটা কেমন? ( একটা মুবাইল দেখিয়ে বললো)
আমি: 😶
রুহি: বলোছ না কেন। 😡
আমি: 😶
কথা বলি না এর জন্য রুহি আমাকে একটা চিমটি দিলো। আমি ব্যাথার জন্য চিক্কার করে ওঠলাম। আর দোকানে সবাই আমার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।😱 আমি সরমে দোকান থেকে বর হয়ে আসলাম। 😚
রুহি ও আমার পিছন পিছন চলে আসলো। এসেই আমাকে মারতে শুরু করলো। অনেকখন মারার পর থেমে গেলো আর বললো আমার সাথে জীবনেও কথা বললি না।
আমি: আরে এখানে আমার কি দোষ।এই দোকান আমার কাছে ভালো লাগে না তাই বেরিয়ে আসলাম। ( 100% মিথ্যা কথা বলছি)
রুহি: কিইইইইইই? দোকান ভালো লাগে না আগে বললি না কেন?😠
আমি: তুমি তো কোন কথা বলতে মানা করছো।😏
রুহি: হায় রে খোদা! কোন পাগলের সাথে আমার বিয়ে ঠিক হলো।😭
আমি: কিছু করার নাই সব কিসমতের খেলা।😁
রুহি: চুপ।😠😠
আবার ও 25 মিনিট হাটার পর আবার এক দোকানে গেলাম। কিন্তুু কোন মুবাইল ভালো লাগে না। আমার আগেরটার মতো পাচ্ছি না। 17 টা দোকান ঘুরাঘুরি করার পর যখন 18 নাম্বার দোকানে যাবো তখন
রুহি: তুই ভিতরে যাবি না। এবার আমার পছন্দের মুবাইল ব্যবহার করবি। 😠
আমি: তুমি তো ভালো খারাপ বুজো না। আমি ও আসি😁
রুহি: একবারের কথা কানে যায় না।😠
আমি: আচ্ছা।😩
বাহিরে দারিয়ে আছি, কিছুখন পর রুহি এসে আমার হাতে একটা মুবাইল দিলো।
আমি:woww কি সুন্দর পুরো তোমার মতো। 😍
রুহি: চুপ কর, পাম কম দে।😏
আমি: চলো ফোসকা খাই।
রুহি: না আমি খাবো না।
আমি: কেন।
রুহি: রাস্তায় দারিয়ে দারিয়ে খাইতে আমার ভালো লাগে না।
আমি: আচ্ছা তাহলে আমি বাসায় যাই। তুমি রাস্তায় রাস্তায় আড্ডা দেও।😐
রুহি: কিইইইই বললি আবার বল তো?😠
আমি: sorry sorry sorry আমি ভুলে বলে ফেলছি।
রুহি: দেখ তুই ভালো হয়ে যা। না হলে তোর কপালে প্রচুর কষ্ট আছে।
আমি: কষ্ট শেষ করার জন্য তুমি আসো তো সমস্যা নাই।😏
রুহি: হুমম জানি। এবার বাসায় চল।
রুহিকে বাসায় দিয়ে আসলাম তারপর আমি নাজের বাসায় চলে আসলাম। বাড়িতে এসে তো আমি অবাক😱😱😱.............
চলবে..............
part = 8
রুহি: দেখ তুই ভালো হয়ে যা। না হলে তোর কপালে প্রচুর কষ্ট আছে।
আমি: কষ্ট শেষ করার জন্য তুমি আসো তো সমস্যা নাই।😏
রুহি: হুমম জানি। এবার বাসায় চল।
রুহিকে বাসায় দিয়ে আসলাম তারপর আমি নিজের বাসায় চলে আসলাম। বাড়িতে এসে তো আমি অবাক😱😱😱 বাড়িঘর সাজানোর কাজে সবাই বেসতো।
আমি: আম্মু এসব কি চলছে?
আম্মু: কেন তুই জানোছ না।
আমি: জানলে কি জিগ্যেস করতাম নাকি বলো না।
আম্মু: তোর বিয়ের জন্য এসব করছি।
আমি: কিইইই? কিন্তুু এসব এখন কেন।😮
আম্মু: তো কখন করবো আর বেশি দিন বাকি নেই তো।
আমি: মানে কি? আমার বিয়ে কবে ঠিক হয়েছে।
আম্মু: শুক্রবার এ ঠিক হয়েছে।
আমি: মানে এই শুক্রবারে?😱
আম্মু: হ্যাঁ।
আমি: আম্মু এতো তারাতারি কেন? আমি এতো তারাতারি বিয়ে করতে চাই না।😭
আম্মু: আমি কি করবো? তোর বাবা বিয়ে ঠিক করছে।
আমি: সব দোষ বাবার তাহলে।😡
আম্মু: হ্যাঁ।
আমি: আম্মু তুমি বিয়ের ডেটটা একটু বারিয়ে দেও না।
আম্মু: আমি কিছু করতে পারবো না।
যানি আর বকবক করে লাভ নাই। বিয়ে যেহেতু ঠিক হয়েই গেছে তাহলে করেই নেই।
সময় মতো সব কাজ হতে থাকে। বিয়ের দিন সবাই খুশি আমি বাদে। তার কারন হলো আমি এতো আগে বিয়ে করতে চাই না। তারপর ও এতো তারাতারি বিয়ে করিয়ে দিলো।
বিয়ের দিন কাবিননামার সময়
রুহির বাবা: কাবিন কতো দিমু।
আমি: এমন একটা কাবিন দেন যাতে আমি রুহিকে কখনো ছারতে না পারি।
আমার কথা শুনে সবাই মুচকি হাসতে শুরু করে। আমি ও একটু হাসি দিলাম। রুহি তো সরমে শেষ!
বিয়ে পুরোপুরি শেষ হওয়ার পর, রুহির বাবা আমাকে বললো?
রুহির বাবা: দেখো আমার মেয়েকে আমি অনেক আদর সেন্হ আর ভালোবাসা দিয়ে রেখেছি। আর আজ আমার মেয়েকে তোমার কাছে দিয়ে দিলাম। আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তোমাকে দিয়ে দিলাম। ওর খেয়াল রেখো। ( কথা গুলো ঠিক মতো বলতে পারলো না আর সে কান্না শুরু করে দিলো)
আমি তার চোখের পানি মুছে দিয়ে বললাম।
আমি: চিন্তার কোন কারন নেই। ওকে আমি এতো খুসিতে রাখবো যে ও আপনাদের ভুলে যাবে। 🙃
রুহির বাবা : এটা কিন্তুু ঠিক না। আমার মেয়ে আমাকে কখনো ভুলবে না।😆
আমি: আচ্ছা দেখা যাবে। বাজি ধরি?
রুহির বাবা: বাজি!
আমি: হ্যাঁ বাজি, ভয় পাইলেন নাকি?
রুহির বাবা: না তো।
আমি : তাহলে বাজি ধরেন।
রুহির বাবা: কি বাজি ধরবো।
আমি: বাজি হলো যদি আমি জিতে যাই তাহলে আমার যেকোন একটা শর্ত মানতে হবে।
রুহির বাবা: কি শর্ত?
আমি: সে সময় মতো চেয়ে নিবো। তাহলে বাজি।
রুহির বাবা: ok, একটু হাসি দিয়ে।
বিদাইয়ের সময় রুহি খুব কান্না করেছে। জানি না মেয়েরা এতো কেন কান্না করে। সরকারি কলের মতো সবসময় কান্না করতেই থাকে।
যাক বাদ দেন এসব কান্নাকাটির প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর রুহিকে নিয়ে বাসায় চলে আসলাম। বাসায় আসার পর সবাই বউকে নিয়ে বেসতো আমি যে জামাই তার কোন খেয়াল নেই।
বাকি সময় এভাবেই চলে গেছে। রাত 12.30 এ, আড্ডা দেওয়া শেষ করে নিজের রোমে গেলাম। অন্ধকার রোমের মধ্যে চাঁদের হালকা হালকা আলোতে পুরো ঘরটি কিছুটা উজ্জ্বল আছে। চাদের আলোতে বিসানার দিকে লক্ষ করলাম দেখি বউ বসে আছে। আমি আসতে আসতে তার কাছে গেলাম গিয়ে বিসানায় বসলাম। পুরো 3 বার চেষ্টা করলাম কিন্তুু তারপর ও ঘুমটা ওঠানোর সাহস পাইলাম না। 5 মিনিট চুপচাপ বসে আছি, কেও কোন কথা বলে না। কিছুখন পর রুহি বললো "চলো না চাঁদ দেখতে যাই"
আমি: চাঁদ দেখে কি হবে?
রুহি: অনেকেই দেখে। চলো না আমরাও দেখি?
আমি: আমার সামনের চাঁদটা তো দেখলাম না। আর তুমি অন্য চাঁদ দেখার কথা বলছো।
রুহি: আমাকে আসমানের চাঁদ না দেখালে তোরে এই চাঁদ ও দেখতে দিমু না।
আমি: আচ্ছা চলো।
রুহি: কিইইই। আমি যামু না।
আমি: আমি ও তো সেটাই বলতাছি যেও না।
রুহি: আমি বলছি আমি নিজে যাবো না তুমি নিয়ে যাও।
আমি: কেন তুমি রাস্তা চিনো না?
রুহি: আজকের দিন কি কোন বউ কি হাটে?
আমি: হাটে না তোকি লাফায়?
রুহি : আর রাগ ওঠার আগে চুপচাপ আমাকে কুলে করে ছাদে নিয়ে যাও।
আমি: তোমার ওজন কতো।
রুহি : যা তোর সাথে কোথাও যাবো না।
আমি : আরে আমি তো মজা করছিলাম।
রুহি: যা সর আমার সামনে আসবি না।
আমি: আচ্ছা আর এমন কথা বলমু না চলো ছাদে যাই।
রুহি : আমি কোথাও যাবো না তুই যা।
আমি: তাহলে থাক, না গেলে নাই। আমি পাসের বাসার আন্টির মেয়ের সাথে কথা বলি।
এটা বলেই পিছলে ঘুরে হাটতে লাগলাম। আর রুহি পিছন থেকে আমার পান্জাবি ধরে চান দিয়ে আমাকে জরিয়ে ধরলো। কিছুখন পর আমি রুহিকে কুলে তুলে নিয়ে হাটতে লাগলাম।
আরে আল্লাহ তুমি রুহিকে এতো ভারি কেন বানাইছো।
রুহি : এইইইই? কিইই বললি?
মনে হয় রুহি সব শুনে ফেলছে। একটু আস্তে বলার দরকার ছিলো।
রুহি রাগে আগুন হয়ে গেলো আর বললো
রুহি: আমাকে......
চলবে.........

0 মন্তব্যসমূহ
গল্প গুলো কেমন লাগলো, আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।