পর্দাশীল মেয়ের ভালোবাসা
পর্ব-২
টুট টুট টুট ফোন কেটে দিলো। আমি অনেক চিন্তা করার পর বুজতে পারলাম ও নদীর পাসে বসে আছে। আমি দেরি না করে নদীর পাসে গিয়ে ওকে খুজতে লাগলাম। অনেক খুজার পর দেখি রুহি একটা বড় পাথরের ওপরে বসে কান্না করছে। ও মনে হয় একটু বেশিই কষ্ট পেয়েছে, তাই কান্না করছে।আমি ওর পাসে গেলাম, গিয়ে ওর পাসে বসলাম ও আমাকে দেখে ওঠে চলে যেতে লাগলো আর আমি রুহিকে কিছু না বলে, এক হাত দিয়ে কান ধরলাম আর অন্য হাত দিয়ে রুহির হাতটা ধরে ফেললাম।
রুহি: ছারো আমাকে? 😏
আমি: ছাড়ার জন্য ধরি নাই।☺
রুহি: আমি কিন্তুু ছাড়তে বলছি? না হলে ঠিক হবে না, বলে দিলাম।😡
আমি: আমি ছাড়বো না? তোমার যা ইচ্ছা করো।
রুহি: আমি কিন্তুু সত্যি সত্যি এখন কিছু করবো?😠
আমি: করো আমি কি মানা করছি নাকি।
রুহি: আমাকে ছাড়ো। (এটা বলেই রুহি এদিক ওদিকে তাকাতে লাগলো)
আমি: কি খুজতাছো?😕
রুহি :লাঠি খুজতাছি।😁
আমি: ভালো কথা??? কিইইইই?লাঠি কেন?😧
রুহি : তোমাকে শাস্তি দিতে হবে।😁
আমি: আমি কি করছি? আমি তো খুব ভালো ছেলে।☺
রুহি : আর একটা কথা বললে 10 টা থাপ্পড় দিবো শয়তান। চুপচাপ এখানে বসে থাক।😏😡
আমি: ok
রুহি লাঠি খুজতাছে। আমি পালানোর চিন্তা করতাছি। কিন্তুু আজ পালিয়ে গেলে ও আরো রাগ করে নিবে।
থাক ভুল যখন করছি একটু শাস্তি পেতেই হবে।😔
কিছুখন পর রুহি লাঠি নিয়ে আসলো। আরে বাহ কতো সুন্দর লাঠি নিয়ে আসছে। এই লাঠি দিয়ে মারার মতো করে মারলে মানুষ বাচবে নাকি তা ও বলা যাবে না। কিন্তুু আমি জানি রুহির মন গোলাপের মতো কোমল, তাই ও আমাকে বেশি আঘাত করবে না। 💖
রুহি : এই কি চিন্তা করছো?
আমি: না কিছুই না।
রুহি: এবার আমার শাস্তির জন্য প্রস্তুত তো?
আমি: এবার মাফ করে দেও, আর এমন করবো না।
রুহি: এবার কোনো মাফ নাই। তোমার সাহস কতো বড় তুমি অন্যের বাড়ি থেকে আম চুরি করছো।😡
আমি: আমি কিছুই করি নাই। সব ওই কুত্তা রাসেলের কারনে হইছে। 🙁
রুহি: মানলাম সব রাশেলের দোষ। তাহলে ওর সাথে তুমি কি করছিলা।😠
আমি: বন্ধুদের একটু বেশি ভালোবাসি তাই ছারতে পারি নাই।☺
এটা বলার সাথে সাথে দিলো মাইর। অনেক ব্যাথা পেয়েছি এমন ভাব নেওয়ার চেষ্টা করলাম। কিন্তুু তেমন বেশি ব্যাথা পাই নাই।
রুহি: অনেক জোরে লাগছে?🤔
আমি: হুমমম। অনেক ব্যাথা পেয়েছি।😭 ( মাইর থেকে বাচার টেকনিক)
রুহি : Ok আর মারবো না।
আমি: তুমি কতো ভালো। আমাকে মাফ করে দিছো।☺
রুহি: আরে থামো থামো। এতো সহযে মাফ করবো না। 😁
আমি: তো?
রুহি: চুপচাপ কোন কথা না বলে 50 বার কান ধরে ওঠবস করো। আর প্রতেক বার বলবা আর চুরি কবরা না।😏
আমি: আমি তো পুরো শিহরিত। আর একটু কম শাস্তি দেওয়া যায় না।😫
রুহি: এখানে শিহরিত হওয়ার কিছুই নাই। আর কোন কথা বললে শাস্তি বারবে।😡
কিছু করার নাই। কথা বললেই বিপদ। আর ওর সাথে আজ পযর্ন্ত তর্ক করে পারি নাই। কিন্তুু শাস্তি কিভাবে কমাতে হবে তা আমি জানি।
কান ধরে ওঠবস করতে শুরু করলা। (এইযে পাঠক পাঠিকা আপনাকে বলছি অন্য দিকে তাকান। আমার সরম করে। আপনাদের সামনে কান ধরে ওঠবস করতে)☺
17 টা করার পর আমার অবস্থা খুব খারাপ। আর না পেরে রুহিকে বললাম
আমি: আমি আর পারছি না। আর ওঠবস করলে আমার খুব সমস্যা হবে।
রুহি: কিইইই? মাএ 15 টা নিয়েই অবস্থা খারাপ।
আমি: কিইইই? 15 টা নেই নাই। 17 টা নিছি।🤔
রুহি: আমি ভালো করে গনছি তুমি 15 টা নিছো।😡
আমি: আরে না 17 টা নিছি।🤔
রুহি: আর একবার এই কথা বললে বাকি 35 টা ও নিতে হবে?😡
আমি: ok আমি 15 টা নিছি। আর আমি জীবনে ও আম চুরি করবো না। এবার মাফ করে দেও।
রুহি: আর যদি এমন হয় তাহলে কি করবো।😏🤔
আমি: তুই যা শাস্তি দিবা তাই মানবো। ☺
রুহি: ok এটা শেষ বারের মতো মাফ করলাম।☺
এবার আমি রুহিকে 2 টা চকলেট দিয়ে দিলাম। ও চকলেট দেখে তো মহা খুশি, খুশিতে আমাকে জরিয়ে ধরলো। আমার মনটা তো খুসিতে কুতকুত খেলতাছে। আমি ও ওকে জরিয়ে ধরলাম। আমি এই মুহুর্ত টা জীবনে ও ভুলবো না। আর এই চরম মুহুর্তে সময় কোন হারামির বাচ্চা যেন কল দিচ্ছে। মুবাইল বের করে দেখি বন্ধু ফোন করছে।
আমি: hallo, কুত্তা কি হয়ছে তারাতারি বলে ফেল।
সোহাগ : দোস্ত একটু আসতে পারবি কাজ ছিল।
আমি: কি কাজ?
সোহাগ : আরে স্কুলের পিছনে যে আম গাছ আছে সেখানে যাবো। যাবি তুই?
আমি: তুই wite কর আমি আসতাছি। ☺
( আমার একবারে ও খেয়াল ছিলো না যে আমার পাসে রুহি বসে আছে। ও আমার দিকে এমন ভাবে তাকাইছে যেন আমাকে গিলে খেয়ে ফেলবে)
রুহি: কি বললা আবার বলো তো?😠😠
সোহাগ : আচ্ছা আমরা wite করতাছি তুই আয়।
আমি: না আমি আসমু না।😕( রুহির ভয়ে না করলাম)
সোহাগ: কেন? মাএ তো বললি আসবি?🤔
আমি: আসবো না এখন অনেক জরুরি কাজ আছে।
সোহাগ : এখন তুই কোথায়? আর কি জরুরি কাজ করতাছোছ?
আমি: আমি এখন নদীর পারে বসে আছি?
সোহাগ : নদীর পারে বসে কি করছ?
আমি: মাছ ধরতাছি।🤣ফোন রাখ হারামজাদা।😡
আমি ফোন কেটে দিলাম আর রুহির দিকে তাকিয়ে দেখি রুহি খুব.............
চলবে................

0 মন্তব্যসমূহ
গল্প গুলো কেমন লাগলো, আপনার মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।